
কেন আপনার পুরানো বাথরুম হিটিং ল্যাম্পগুলো বাদ দিয়ে ইনফ্রারেড হিটার ব্যবহার করা উচিত?
আপনি কি লক্ষ্য করেছেন যে, পুরানো ধরনের বাথরুম হিটিং ল্যাম্পগুলো ঠিকমতো কাজ করে না? আপনি সেগুলো চালু করেন, কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেন… কিন্তু আপনার শরীর এখনও ঠান্ডা থাকে। আরও খারাপ ব্যাপার হলো, ঘরে থোড়া বেশি আর্দ্রতা থাকলেই এগুলো নষ্ট হয়ে যায়। এটা খুবই বিরক্তিকর… কারণ এগুলো বাথরুমের পরিবেশের জন্য উপযুক্তভাবে তৈরি হয়নি।
এই কারণেই সবাই হাই-আইপি ইনফ্রারেড রেডিয়েটরগুলো ব্যবহার করছেন।
এর পার্থক্য হলো, বেশিরভাগ হিটারগুলো বাতাসকে উত্তপ্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু তাপ ঊর্ধ্বমুখী হয়… ফলে সেই তাপ ছাদ পর্যন্ত চলে যায়; আর আপনার পায়ের আঙুলগুলো ঠান্ডা থাকে।
ইনফ্রারেড হিটারগুলো ব্যতিক্রম। এগুলো বাতাসের দিকে মনোযোগ দেয় না… বরং সরাসরি আপনার দিকে তাপ পাঠায়। এটা ঠিক যেন ঠান্ডা দিনে সূর্যালোকের নিচে দাঁড়ানোর মতো। আপনি সুইচটি চালু করলেই তৎক্ষণাৎ উষ্ণতা অনুভব করতে পারেন… আর অপেক্ষা করার দরকার নেই।
আর নিরাপত্তার দিকটাও বিবেচনা করা উচিত। বাথরুমগুলো আর্দ্র থাকে… আর্দ্রতা সর্বত্র ছড়িয়ে যায়। সস্তা হিটারগুলোতে আর্দ্রতা ঢুকে যায়… ফলে যন্ত্রটি নষ্ট হয়ে যায়। আমরা সিলড কোয়ার্টজ টিউব ও মজবুত গ্যাসকেট ব্যবহার করি… যাতে জল যন্ত্রের ভিতরে না ঢুকতে পারে। এটাই সবচেয়ে ভালো… কারণ আপনি চান যে আপনার হিটারটি আর্দ্র পরিবেশেও কাজ করতে পারে।
যদি আপনি রেনো করার সময় আপনার হিটারটি পরিবর্তন করতে চান, তাহলে এটা খুবই সহজ কাজ। কিন্তু একটি বিষয় মনে রাখবেন—এই ধরনের হিটারগুলো একটু বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। যদি আপনার বাথরুমে পুরানো, কম-অ্যাম্পিয়ারের লাইটিং সার্কিট থাকে, তাহলে আপনার সার্কিট ব্রেকারটি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই আগেই একজন ইলেকট্রিশিয়ানকে ডেকে দেখা ভালো।
আরেকটি বিষয় মনে রাখবেন—ইনফ্রারেড হিটারগুলো “লাইন অফ সাইট”-এর উপর নির্ভর করে। এগুলো পুরো ঘরকে উষ্ণ করে না… বরং শুধুমাত্র যে জায়গায় এগুলো রাখা হয়, সেখানকার জায়গাটিকেই উষ্ণ করে।
তাই, হিটারটি কোথায় রাখা হবে সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। এটিকে ঠিক সেখানেই রাখুন—যেমন শাওয়ারের পাশে… নইলে আপনার শরীরের কিছু অংশ উষ্ণ থাকবে, আবার অন্য অংশগুলো ঠান্ডা থাকবে।